মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বিভিন্ন সেবাসমূহ

সেবা প্রদানের বিভিন্ন বিষয়াবলী

 

কাজ/

সেবার নাম

পদ্ধতি/গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী

সময়সীমা সম্পর্কিত মন্তব্য

(ক) কর আদায়

১. ত্রৈমাসিক কর প্রতি কিস্তির প্রথম দিন থেকে দেয় এবং পরিশোধযোগ্য। তবে কর দাতা ইচ্ছা করলে সারা বছরের কর (অর্থাৎ চার কিস্তি) অথবা যেকোন কিস্তির কর অগ্রিম পরিশোধ করতে পারবেন।

(ক) চলতি অর্থবছরের চার কিস্তির পাওনা পৌরকর প্রথম কিস্তির বিল পরিশোধের শেষ তারিখের মধ্যে অগ্রিম জমা দিলে চলতি অর্থবছরের চার কিস্তির পাওনা উপর শতকরা ১০.০০ টাকা হারে রিবেট (মওকুফ) দেওয়া হবে।

 

(খ) চলতি অর্থবছরের  কোন চলতি কিস্তিসহ এক বা দুই কিস্তি অগ্রিম পাওনা চলতি কিস্তি পরিশোধের শেষ তারিখের মধ্যে চলতি কিস্তিসহ অগ্রিম পরিশোধ করলে ঐ পাওনা টাকার উপর শতকরা ৭.৫০ টাকা হারে রিবেট দেওয়া হবে।

 

(গ) প্রতি কিস্তির পৌরকর বিল পরিশোধের শেষ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করলে উক্ত কিস্তির পাওনা টাকার উপর শতকরা ৫.০০ টাকা হারে রিবেট দেওয়া হবে।

 

২. ৩০শে জুনের মধ্যে চলতি অর্থবছরের পাওনা পৌরকর পরিশোধ না করলে ১লা জুলাই থেকে শতকরা ৫.০০ টাকা হারে সারচার্জ আরোপ করা হবে।

 

৩. পূর্বে পরিশোধিত কোন বকেয়া কিস্তির টাকা বর্তমান বিলে পুন:দাবি করা হয়ে থাকলে বর্তমান বিল পরিশোধের সময় পূর্ববর্তী পরিশোধকৃত বিল/রশিদ অবশ্যই দেখাতে হবে। অন্যথায় ব্যাংক কোন আংশিক বিলের টাকা গ্রহণ করবে না।

 

৪. বিল প্রদানের শেষ তারিখের পর এই বিল কার্যকর থাকবে না।

 

৫. কর পরিশোধের তারিখ উত্তীর্ন হওয়ার এক মাসের মধ্যে বিলর টাকা পরিশোধ করা না হলে দেনাদারের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রি করে সকল প্রকার খরচসহ সম্পূর্ণ পাওনা টাকা আদায় করা যেতে পারে। এই টাকা সম্পূর্ণ পাওনার কম হলে সার্টিফিকেট জারি দ্বারা স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে পাওনা টাকা আদায় করা যেতে পারে।

 

৬. পরিশোধকারীর নিজ দায়িত্বে অনুমোদিত ব্যাংকের উপর ইস্যুকৃত চেক/ পে-অর্ডার/ ডিমান্ড ড্রাফট এর মাধ্যমে বিল পরিশোধ করা যাবে। সমস্ত পাওনা টাকা পৌরসভার মেয়র বরাবর পাঠাতে হবে। এসব চেক/ পে-অর্ডার/ ডিমান্ড ড্রাফট- এ ‘কেবলমাত্র ‍‌‌‌‌‌‌‌প্রাপকের খাতে’লিখে ক্রস করে দিতে হবে।

 

৭. ভুলক্রমে কিংবা অন্য কোন কারণে কোন প্রকার পাওনা টাকা এই বিলে বাদ পড়লে পরবর্তী সময় দাবী করা হবে এবং করদাতা উক্ত পাওনা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবেন।

 

৮. বাড়ীর পৌরকর সংক্রান্ত কোন প্রকার সংশোধন হলে যে কোন সময় নতুন বিল জারি করা হবে এবং করদাতা তা যথানিয়মে পরিশোধ করবেন।

 

৯. বিল পরিশোধের জন্য নির্ধারিত সর্বশেষ তারিখে সরকারি ছুটি থাকলে পরের দিনটি বিল পরিশোধের তারিখ বলে গণ্য হবে।

 

১০. বিলের ব্যাপারে কোন প্রকার বিরোধ থাকলে ‘রিবেট তারিখ’উত্তীর্ন হওয়ার পূর্বেই ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে মীমাংসা করতে হবে। বিরোধ,  আপীল ইত্যাদির সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে, আপত্তি সহকারে বিল পরিশোধ করতে হবে, নতুবা নির্দিষ্ট তারিখের পর আর কোন ‘রিবেট’দেওয়া হবে না।

 

১১. দাবির নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে পাওনা কর পরিশোধ না করলে ১৯৬০ সনের মিউনিসিপ্যাল কমিটি (পৌরসভা) (ট্যাক্সেশন) রুলের ১২নং ধারা মতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করত: পাওনা টাকা আদায়ের বিধান আছে।

 

১২. বিলের ব্যাপারে কিছু জানতে হলে এবং কোন অনুসন্ধান করতে হলে ওয়ার্ড নং, বিল নং, অ্যাসেসীর নাম, বাড়ী নম্বর ও রাস্তার নাম উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে। প্রয়োজনে ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তার’সহায়তা নিন।

 

বিষয়াবলীতে অন্তর্ভূক্ত আছে

(খ) ময়লা-আবর্জনা ও ড্রেন পরিষ্কারকরণ

ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারকরণ:

 (ক) বর্তমানে মোট ৭৪ জন ঝাড়ুদার দ্বারা পৌর এলাকার সমস্ত রাস্তা ও অলিগলি প্রতিদিন সকাল ৬ টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে পরিষ্কার করা হয়। ময়লা-আবর্জনাসমূহ যেখানে ডাস্টবিন আছে সেখানে ডাস্টবিনে এবং যেখানে ডাস্টবিন নাই সেখানে রাস্তার পার্শ্বে ফাঁকা জায়গাতে স্তুপ করে রাখা হয়।

 

(খ) ৩ টি গার্বেজ ট্রাক দ্বারা রোডম্যাপ অনুযায়ী নিয়মিতভাবে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২ টার মধ্যে ডাস্টবিন ও রাস্তার পাশে স্তুপকৃত ময়লা-আবর্জনা উত্তোলন করে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা হয়। বর্তমানে পানি সরবরাহ শাখা অফিস সংলগ্ন পৌরসভার নিজস্ব পুকুর ভরাট করা হচেছ। এসব ময়লা-আবর্জনা ট্রিটমেন্ট করার কোন ব্যবস্থা নেই।

 

ড্রেন পরিষ্কারকরণ:

বর্তমানে ১৬ জন লেবার দ্বারা ওয়ার্ডভিত্তিক সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ড্রেন পরিষ্কারের কাজ করা হয়। এ ছাড়াও শহরবাসীর অভিযোগ বা আবেদনের প্রেক্ষিতে উল্লেখিত স্থানে জরুরী প্রয়োজনে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়ে থাকে।

 

বিষয়াবলীতে অন্তর্ভূক্ত আছে

(গ) পুকুর খনন/ভরাট, পাকা/সেমিপাকা/কাঁচা ঘর নির্মাণ বা ধ্বংস সাধন, বিদ্যমান ভবন বা স্থাপনার ব্যবহার পরিবর্তন ইত্যাদির নক্সা অনুমোদন

 

১. পৌরসভার সার্ভেয়ার দ্বারা জমির সীমানা নির্ধারণ ও রাস্তা পরিমাপ করে নিন। তারপর ইমারত নির্মাণের ক্ষেত্রে, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ ও National Building Code অনুসরণ করে নক্সা তৈরি করুন।

২. পৌরসভা কতৃক নির্ধারিত ফী জমা দিয়ে নক্সা অনুমোদনের আবেদনপত্র নিন।

৩. আবেদনপত্রটি পূরন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথা জমির মালিকানার প্রমাণপত্র, খারিজ ইত্যাদির ফটোকপি, জমির অবস্থান নির্দেশ করে সি.এস বা আর.এস নকসা বা নকসার অংশবিশেষের ফটোকপি, ইমারতের নক্সার কমপক্ষে ৫টি মূলকপি, নক্সাকারীর যোগ্যতার প্রমাণপত্র এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে Soil Test Report, পরিবেশগত ছাড়পত্র, Construction Management Plan (CMP), Fire Service অফিস থেকে ‘Sufficiency of Road Width for Fire Hazard Management’ Certificate বা ‘অগ্নি-বিপর্যয় ব্যবস্থাপনার জন্য রাস্তার প্রস্থের পর্যাপ্ততা’সনদ (এই সনদের formatপৌরসভার Town Planning Section থেকে পাওয়া যাবে)ইত্যাদিসহ পৌরসভার শহর পরিকল্পনা শাখায় (Town Planning Section) জমা দিতে হবে।

৪. অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ আবেদন গ্রহনযোগ্য নয়।

৫. দাখিলকৃত নক্সাতে কোন ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে বা অসংগতি দেখা গেলে কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথ না হলে, সংশোধনপূর্বক পুন:দাখিলের জন্য মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হবে । এ ব্যাপারে সাধারণত: কোন নোটিশ প্রদান করা হবে না। নিজ দায়িত্বে জেনে নিতে হবে। কারণ আবেদনের ৩০ কার্যদিবস (শুধুমাত্র কাঁচা/সেমিপাকা বাড়ির ক্ষেত্রে) বা ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে কোন ত্রুটি বা অসংগতির কারণে নক্সার অনুমোদন না নিলে, আবেদনপত্রটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

৬. ইমারতের মোট ফ্লোর এরিয়া (নির্মিত তলের ক্ষেত্রফল) অনুযায়ী বিধি মোতাবেক নির্ধারিত হারে নক্সার অনুমোদন ফী নির্ণয় করা হবে। নির্ধারিত ফী পৌরসভার ক্যাশ শাখায় জমা দিয়ে জমা স্লিপ সংগ্রহ করুন এবং অনুমোদন সার্টিফিকেট নিন।

৭. অনুমোদিত নক্সা অনুযায়ী নির্মাণ শুরুর কমপক্ষে ৭ (সাত) দিন পূর্বে পৌরসভাকে লিখিত জানাতে হবে। অনুমোদিত নক্সার একটি কপি ও অনুমোদন সার্টিফিকেটের একটি ফটোকপি নির্মাণ চলাকালীন সময়ে সাইটে রাখতে হবে। পৌরসভার ইন্সপেকশনে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর যে কোন সময় যাচাই করতে পারে।

৮. উল্লেখ্য যে, পৌরসভার অনুমোদন ব্যতিরেকে পাকা/সেমিপাকা/কাঁচা ঘর/স্থাপনা নির্মাণ বা ধ্বংস, পুকুর খনন বা ভরাট, বিদ্যমান ইমারত বা ভূমির ব্যবহার পরিবর্তন, শিল্প-কারখানা স্থাপন বা পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পরতে পারে এমন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং মাস্টার প্লানের সাথে অসংগতিপূর্ণ কোন অবকাঠামো নির্মাণ করা যাবে না। এইরূপ কার্যকলাপ স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ৫০ ধারার কার্যবিধি (৩৫) পরিপন্থি  এবং ১০৮ ধারার (৪), (৫) ও (৭) অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য এবং কার্যবিধি (৩৭) মোতাবেক অবৈধ নির্মাণ অপসারণ করার ক্ষমতা রাখে। এক্ষেত্রে অবৈধ নির্মাণ অপসারণসহ পরিবেশগত ও সামাজিক নিরাপত্তার খরচ নির্ধারণপূর্বক জরিমানা ধার্য করা হতে পারে।

সর্বোচ্চ ৪৫ কার্যদিবস

(ঘ) জন্ম সনদ প্রদান

স্বাস্থ্য শাখা থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করুন ও পূরণ করে জমা দিন।

সর্বোচ্চ ৭ কার্যদিবস

(ঙ) লাইসেন্স প্রদান

নিজ উদ্যোগে লাইসেন্স না করলে বা নবায়ন না করলে নোটিশ জারি করা হয় এবং ব্যবসার ধরন ও পরিসর অনুযায়ী নির্ধারিত ফি গ্রহণ সাপেক্ষে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হয়। অন্যথায় ব্যবসা পরিচালনা বন্ধ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে। ট্রেড লাইসেন্সের আদায়কৃত অর্থ পৌরসভার ক্যাশিয়ারের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা করা হয়।

১ কার্যদিবস

(চ) নাগরিকত্বের সনদ প্রদান

জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট/ জাতীয় পরিচয়পত্র, এস.এস.সি সার্টিফিকেট, ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক ক্লিয়ারেন্স ইত্যাদির মাধ্যমে যাচাই করে সনদ প্রদান করা হবে।

১ কার্যদিবস